মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৫

যার ভয়ে তুমি ভীত সে অন্যায় ভীরু তোমা চেয়ে যখনই জাগিবে তুমি তখনই সে পলাইবে ধেয়ে ।।

 ভয় মানুষের মজ্জাগত । আর এই ভয়ের মাত্রা যতই বাড়ে জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে । এই ভী রুতা কে প্রশ্রয় দিলে মানুষের মানুষ ত্ব ক্ষুণ্ণ হয় । কিন্তু ভীরুতা র ঘেরাটোপ ছিন্ন করে , মাথা উচু করে মুখে যখন প্রতিবাদের ভাষা নিয়ে কেউ ঘুরে দাঁড়ায় তখন অন্যায়কারী অন্ধকারের সরীসৃপের মতন অন্ধকারে আত্ম গোপন করে । সভ্যতার ইতিহাস তাই বলে ভয় জয় করে এগিয়ে চলা ।
বস্তুত , যা ন্যায় , যা সত্য তা কখনই বল প্রয়োগের দমন করা সম্ভব নয় । কারন ন্যায় আর সত্য দিবালোকের মতই স্বচ্ছ স্পষ্ট বলে চিরভাস্ক র । সাময়িক অশুভ শক্তি এই শুভ শক্তি দাবীয়ে রাখলেও ছাইচাপা আগুনের মত তা একদিন ফুটে উঠবে । পরিপার্শ্বিক অবস্থার চাপে , আত্ম দুর্বলতার জন্য অনেক সময় অসহায় , দুর্বল মানুষ শক্তি দর্পী অনাচারীর অন্যায় ও অশুভ শক্তির কাছে মাথা নত করে । তাদের প্রতিবাদের ভাষা বুকে মাথা কুটে ।  কিন্তু তাদের যদি একবার মনে হয় ঐ সব অশুভ শক্তি সাময়িক , ঐ সব মিথ্যা তাৎক্ষণিক তাহলে প্রানে বল ফিরে আসে ।
অসত্য ও অন্যায় মনে জড়তা আনে । নৈতিক এই অবক্ষয়ের দারুন পাপবোধ সবসময় তাকে পীড়িত করে তোলে । জগতে যে সব মানুষ অন্যায় অসত্য কে ভিত্তি করে জীবনের পথে চলেন তিনি সাময়িক প্রতিষ্ঠা পেলেও পরিণামে তার ধবংস অনিবার্য হয়ে ওঠে ।

আর যিনি ন্যায় ও সত্যের ধারক ও বাহক তিনি যদি ভয় শূন্য চিত্তে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ান তাহলে অশুভ শক্তি র পরাজয় ঘটে । সত্য বোধ মানুষকে আত্ম বলে বলীয়ান করে । আমরা যারা পরিপূর্ণ মানুষ ত্বের অধিকারী হতে চাই তাদের অন্যায়ের রুখে দাড়িয়ে সত্যের পূজারী হতে হবে ।

বিদ্রোহী